Hibjee শুধু একটি প্ল্যাটফর্ম নয় — এটা বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষের বিনোদনের সঙ্গী হওয়ার একটা প্রচেষ্টা। কোথা থেকে শুরু হয়েছিল, কোথায় যাচ্ছি — সেই গল্পটাই এখানে।
কয়েক বছর আগে একটা প্রশ্ন ঘুরছিল — বাংলাদেশের মানুষ অনলাইনে গেম খেলতে চাইলে কোথায় যাবেন? বিদেশি প্ল্যাটফর্মগুলো ছিল, কিন্তু সেগুলোতে বাংলা নেই, bKash নেই, স্থানীয় সময়জ্ঞান নেই। ইন্টারফেস বুঝতে গেলে ইংরেজি লাগে, পেমেন্ট করতে গেলে ক্রেডিট কার্ড লাগে — এই দুটো বাধাই বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষের জন্য বড় সমস্যা।
Hibjee সেই শূন্যস্থান পূরণ করতে তৈরি হয়েছে। প্রথম থেকেই লক্ষ্য ছিল একটাই — বাংলাদেশের মানুষের জন্য, বাংলায়, তাদের পরিচিত পেমেন্ট পদ্ধতিতে, তাদের পরিচিত খেলার স্বাদে একটা প্ল্যাটফর্ম বানানো।
চট্টগ্রাম থেকে রাঙামাটি, সিলেট থেকে খুলনা — Hibjee-র ব্যবহারকারীরা দেশের ৬৪টি জেলায় ছড়িয়ে আছেন। কেউ রাতের শিফটের পর একটু রিল্যাক্স করতে খেলেন, কেউ ঈদের ছুটিতে পরিবারের সাথে মজা করতে লটারি কেনেন, কেউ ক্রিকেট ম্যাচ দেখতে দেখতে বেটিং করেন। এই বৈচিত্র্যটাকেই Hibjee সবচেয়ে বড় শক্তি মনে করে।
শুধু গেমের তালিকা নয় — পুরো অভিজ্ঞতাটাকে বাংলাদেশের উপযোগী করে বানানো হয়েছে।
নিবন্ধন থেকে শুরু করে পেমেন্ট, গেমের নিয়ম থেকে কাস্টমার সাপোর্ট — সবকিছু বাংলায়। ইংরেজি না জানলেও Hibjee-তে কোনো সমস্যা হবে না।
বাংলাদেশে ৯৫% মানুষ মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করেন। Hibjee সেই বাস্তবতা বুঝে প্রথম দিন থেকেই bKash ও Nagad-কে প্রধান পেমেন্ট মাধ্যম হিসেবে রেখেছে।
Hibjee আন্তর্জাতিক গেমিং কমিশনের লাইসেন্সের অধীনে চলে। সব গেম তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক নিয়মিত নিরীক্ষিত — ফেয়ার প্লে শুধু কথায় নয়, সিস্টেমে নিশ্চিত।
রাত ৩টায় কোনো সমস্যা হলেও সাপোর্ট পাওয়া যায়। লাইভ চ্যাটে বাংলায় কথা বলা যায়, ইমেইলেও বাংলায় উত্তর আসে। ভাষার বাধা নেই।
জেতার টাকা ১০ মিনিটে bKash-এ — এটা Hibjee-র প্রতিশ্রুতি। অনেক প্ল্যাটফর্মে ৪৮–৭২ ঘণ্টা লাগে। Hibjee-র অটোমেটেড সিস্টেম সেই অপেক্ষা শেষ করেছে।
Hibjee বিশ্বাস করে বিনোদন আনন্দের জন্য। স্বনির্ধারিত সীমা, সেলফ-এক্সক্লুশন, বাজেট ট্র্যাকার — এই টুলগুলো সক্রিয়ভাবে প্রচার করা হয়।
Hibjee-র পথচলা শুরু হয়েছিল একটা ছোট দলের স্বপ্ন থেকে। প্রতিটি মাইলস্টোন অর্জিত হয়েছে ব্যবহারকারীদের বিশ্বাস ও ফিডব্যাকের উপর ভিত্তি করে। এখানে সেই সংক্ষিপ্ত ইতিহাস।
Hibjee-র প্রতিটি আপডেট, প্রতিটি নতুন ফিচার, প্রতিটি পেমেন্ট পলিসি — এই মূল্যবোধগুলোকে কেন্দ্রে রেখেই তৈরি হয়।
RTP প্রকাশ্যে দেখানো হয়, সব ড্র লাইভ হয়, পেমেন্ট ইতিহাস ডাউনলোডযোগ্য। লুকানো কিছু নেই।
ব্যাংকমানের SSL এনক্রিপশন, দ্বি-স্তর যাচাই, AI ফ্রড ডিটেকশন — ব্যবহারকারীর তথ্য সুরক্ষাই প্রথম।
প্রতিটি ফিচার বাস্তব ব্যবহারকারীদের ফিডব্যাকের ভিত্তিতে তৈরি। টেক বোঝেন না এমন মানুষেরও যেন সুবিধা হয়।
আনন্দের সীমা বজায় রাখা Hibjee-র দায়িত্ব। বাজেট সীমা, কুলডাউন টুল — এসব সক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
ডিপোজিট ২ মিনিট, উত্তোলন ১০ মিনিট — গতির প্রতিশ্রুতি কাগজে নয়, সিস্টেমে নিশ্চিত করা হয়েছে।
সব গেমের RNG সিস্টেম তৃতীয় পক্ষ নিরীক্ষিত। কেউ জিতুক বা হারুক — ফলাফল সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ।
প্রযুক্তি, গেমিং ও ফিনটেক বিশেষজ্ঞদের মিলিত একটি দল — সবার একটাই লক্ষ্য।
এছাড়াও Hibjee-তে আছেন ৮০ জনেরও বেশি কাস্টমার সাপোর্ট, ডেভেলপার, ডিজাইনার ও ডেটা বিশ্লেষক।
লাইসেন্স, সার্টিফিকেশন ও ব্যবহারকারীর আস্থা — এই তিনটি স্তম্ভেই Hibjee দাঁড়িয়ে আছে।
Hibjee-তে যে গেমগুলো পাওয়া যায় সেগুলো এলোমেলোভাবে বাছাই করা হয়নি। বিশ্বের সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও নিরীক্ষিত গেম প্রদানকারীদের সাথে সরাসরি অংশীদারিত্ব আছে Hibjee-র। প্রতিটি গেম স্বাধীনভাবে পরীক্ষিত, RTP প্রকাশিত এবং নিয়মিত নিরীক্ষিত।
"bKash দিয়ে ডিপোজিট করলাম, মিনিট দুয়েকের মধ্যেই ব্যালেন্সে এলো। জেতার পর উত্তোলনও এত দ্রুত হবে ভাবিনি।"
"বাংলায় সাপোর্ট পাওয়া যায় — এটা সবচেয়ে বড় সুবিধা। ইংরেজিতে লিখতে হয় না, সহজে বুঝিয়ে দেয়।"
"Hibjee-তে লটারি খেলি প্রতিদিন। ড্র লাইভ দেখা যায়, ফলাফল নিয়ে কোনো সন্দেহ থাকে না। বিশ্বাসযোগ্য।"
Hibjee-র কাছে দায়িত্বশীল গেমিং কোনো বাধ্যতামূলক নিয়মের বিষয় নয় — এটা কোম্পানির মূল দর্শনের অংশ। আমরা চাই ব্যবহারকারীরা দীর্ঘদিন সুস্থভাবে খেলুন, একবার বড় ক্ষতির মুখে পড়ে থামুন না।
Hibjee-তে নিজের দৈনিক বা সাপ্তাহিক বাজেট সীমা সেট করার সুবিধা আছে। সেই সীমা পূরণ হলে সিস্টেম নিজেই আর বাজি রাখতে দেবে না। সেলফ-এক্সক্লুশনেও আবেদন করা যায় — ৭ দিন থেকে শুরু করে স্থায়ী পর্যন্ত।
১৮ বছরের নিচে কাউকে কঠোরভাবে প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে দেওয়া হয় না। বয়স যাচাই নিবন্ধনের সময়ই করা হয়। Hibjee কোনো পরিস্থিতিতেই এই নীতিতে আপোষ করে না।
দায়িত্বশীল গেমিং গাইডকিছু বিশেষ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চান? নিচে দেখুন।